বাস্তব ময়দানে থাকা বা না থাকার পার্থক্য

ময়দানবিমুখ হতাশ আদর্শবাদীরা শেষ পর্যন্ত অবাস্তব আধ‍্যাত্মিকতা ও কর্মগত অতিশুদ্ধবাদিতায় নিপতিত হন। বাহ‍্যিক নির্বিবাদী মনোভাব ও কৃত্রিম বিনয়ের আড়ালে ভিতরে ভিতরে তারা অসহিষ্ণু ও চরমপন্থী হয়ে উঠেন। আদর্শের রক্ষাবলয় মনে করে নৈতিকতার বুদবুদের মধ‍্যে বসবাস করেন। ষড়যন্ত্র-তত্ত্বের দোহাই দিয়ে অবাস্তব আত্মতুষ্টিতে ভুগেন।

তাই,

নিজেকে ঠিক রাখার জন‍্য জরুরি হলো ব‍্যক্তিস্বার্থের বাইরে কোনো সামাজিক উদ‍্যোগে সম্পৃক্ত থাকা। যে কোনো পরিস্থিতিতে ময়দানমুখী থাকা। কৃত্রিম বিনয় ও চাপা অসহিষ্ণুতাকে বর্জন করা। আচার-আচরণে অকপট হওয়া।

সর্বোপরি, নিজের উদ‍্যোগে কিছু না কিছু করার চেষ্টা করা।

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক

নিজেকে একজন জীবনবাদী সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে পড়াই। চাটগাইয়া। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকি।

বাস্তব ময়দানে থাকা বা না থাকার পার্থক্য” শীর্ষক পোস্টে ২টি মন্তব্য

  1. আসসালাম… বারাকাতুহ
    শতভাগ সহমত!
    অন্তর্গতভাবে অসহিষ্ণু প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখা দ্ঃসাধ্য!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *