নারীদের ইসলামচর্চা: প্রসঙ্গ নেকাব, হিজাব, পর্দা ও বোরকা

নেকাবপন্থীদের স্ববিরোধ: নেকাব, হিজাব, পর্দা, বোরকা যা-ই হোক না কেন এগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টরা এক ধরনের জটিলতায় ভোগেন। নিজ পুস্তকের শুরুতে শ্রদ্ধেয়া মরিয়ম জামিলার আপদমস্তক ঢাকা বোরকা পরা ছবিকে এর উদাহরণ হিসেবে গণ্য করা যায়। কোনো নেকাব পড়া নারীর মুখায়ববের (পাসপোর্ট সাইজ) ছবিতে সংশ্লিষ্ট নারী-মুখাবয়বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশটি (চোখ) অন্যদের দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায়। অথচ, এই পাসপোর্ট সাইজ ছবিটি যদি পুরো মুখমণ্ডলের হয়, তখন অন্যদের দৃষ্টি ডিস্ট্রিবিউটেড অর্থে খানিকটা ব্লার হয়ে যায়।

পর্দা সংবেদনশীলতার মাত্রা: ছেলেদের পর্দা, নাকি মেয়েদের পর্দা, অথবা উভয়েরই পর্দা – এ ধরনের যত কথাই আসুক না কেন, লেভেল অফ সেনসিটিভিটি বা সংবেদনশীলতার মাত্রা এ ক্ষেত্রে একটা বিরাট ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করে। একে অস্বীকার করা অসম্ভব এবং এক দৃষ্টিতে অপ্রয়োজনীয়ও বটে।

টিনেজারদের সংবেদনশীলতার মাত্রা মধ্য-তিরিশের চেয়ে অনেক বেশি। যারা পঞ্চাশের কোটায়, তাদের অনেক বেশি সংযত হওয়াটাই স্বাভাবিক। বয়স ও পরিস্থিতির কারণে কোনো কিছু ঘটে যাওয়াটা স্বাভাবিক হওয়ার কারণে হাদীস শরীফে ‘ব্যক্তিগত খারাপ কাজ’ ধরনের গুনাহসমূহকে (তাওবা সাপেক্ষে ও এর চূড়ান্ত মাত্রা ব্যতিরেকে) মাফ করার কথা এ জন্যই বলা হয়েছে।

আমরা জানি, এ ধরনের সেনসিটিভিটির মাত্রা কমানোর জন্য দুটি পদ্ধতি শরীয়াহ নির্ধারণ করে দিয়েছে। অথচ, আমরা কেবল একটাই আমল করার জন্য বলি বা চেষ্টা করি। সেটি হলো এর নেতিবাচক পদ্ধতিটি: (১) অবদমন। অথচ এর পূর্বশর্ত বা সম্পূরক শর্ত হলো একটি ইতিবাচক পদ্ধতি: (২) প্রয়োজন পূরণ।

একবার রাসূলুল্লাহ (সা) এক খুতবাতে বললেন, তিনি এক নারীকে দেখে প্রয়োজন অনুভব করলেন। অতঃপর তিনি তাঁর একজন স্ত্রীর কাছে গিয়ে প্রয়োজন পূরণ করলেন। কখনো প্রয়োজনবোধ করলে এভাবে সামলে চলার জন্য তিনি উপস্থিতদেরকে উপদেশ/নির্দেশনা দিলেন। এই ইতিবাচক পদ্ধতির একটা দিক হলো স্ত্রীদের যে কোনো অবস্থাতে স্বামীদের আহ্বানে সাড়া দেয়ার জন্য তাগিদ। বিয়েকে সহজ করা ও যিনাকে কঠিন করার মতো সামাজিক সংস্কৃতি হলো এই ব্যবস্থার ভিত্তি। এই দুই ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে ভারসাম্য না আসা পর্যন্ত সমস্যাটির কাঙ্খিত সমাধান সম্ভব নয়।

ব্যক্তি ব্যক্তিত্ব: নেকাব পরা হোক বা ক্লাসিক্যাল প্যাটার্নে বোরকা পরা হোক, কোনো নারী তার ব্যক্তিত্বের বিকাশ হতে রেহাই (একজেম্পশন) পেতে পারে না। ইক্বামতে দ্বীনের দায়িত্ব পালনে নারীদের জন্য কিছু রেহাই বা রেয়াত আছে বটে, কিন্তু মূল দায়িত্ব পুরুষ ও নারীদের জন্য সমভাবে ফরজ। পুরুষ ও মহিলা সবার জন্যই তাই ব্যক্তিত্বের বিকাশ একটি আবশ্যিক পূর্বশর্ত। সমাজকর্মী হিসাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বা ব্যক্তিত্বের বিকাশই ফ্যাক্টর, তার শরীর বা শারীরিক গঠনপ্রকৃতি তেমন গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর নয়। পোশাক বিশেষ তো নয়ই। ব্যক্তিত্বের জন্য পোশাকের প্যাটার্ন হলো নিতান্তই প্রাসঙ্গিক ও পরোক্ষ বিষয়। আসল বিষয় হলো ব্যক্তির বিশ্বাস ও জ্ঞানের গভীরতা, কর্ম ও মূল্যবোধের ব্যাপ্তি।

‘কণ্ঠস্বরের পর্দা’ নামক নব-উদ্ভাবিত ফেইক মাসয়ালাটা ব্যক্তিত্বের বিকাশের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। একজন মুসলিম তথা সর্বোত্তম সমাজকর্মী হিসাবে নারী-পুরুষ সবাইকে সর্বোচ্চ মানের কম্যুনিকেটিভ স্কিল অর্জন করতে হবে। নবী করীমের (সা) স্ত্রীদের জন্য পর্দার অন্তরালে অবস্থানকে ফরজ করা সত্ত্বেও তাঁরা পর্দার আড়ালে থেকে বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিষয়ে নিয়মিত ও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন, নেতৃত্ব দিতেন।

‘কণ্ঠস্বরের পর্দা’ (?) করার জন্য নাকি নেকাব পরিহিতা ইসলামী আন্দোলনের ছাত্রীরা ক্লাশে কথা বলে না, টিচারদের কাছে সরাসরি সংগঠনের চাঁদা চায় না। এরা বাসায় আসলে (আমার গৃহকর্ত্রী) ম্যাডামকে বলে ‘স্যারকে সালাম বলেন, এয়ানতটা নিয়ে দেন!’ এসব নিতান্তই অল্পবয়সী কন্যাতুল্য মেয়েরা যখন আমার সাথে কথা না বলে, এমনকি সরাসরি সালামও না দিয়ে ‘ফেতনা থেকে বাঁচার নীতি’ অবলম্বন করে, তখন বিব্রতবোধ করার পাশাপাশি এদের সমাজবিচ্ছিন্নতা দেখে অবাক হই! পর্দানশীন অনেক ছাত্রী নিরীহ পুরুষ শিক্ষকদের সম্পর্কে অনেক সময় সম্পূর্ণ একতরফাভাবে লাম্পট্যের অভিযোগ করেছে। কারণ, ভাইভাতে তাদেরকে নেকাব খুলতে বলা হয়েছে। প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পরিবর্তে নেকাব রক্ষা করার জন্য তারা জিহাদী কোশেশ শুরু করে। এমনকি উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ তাদের সাক্ষাৎ পিতৃতুল্য হওয়া সত্ত্বেও। অথচ সেটি এমন একটা পরীক্ষা যেখানে উপস্থিতি রেকর্ড করাটা একটা প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম।

এসব নেকাব পরিহিতাগণ ক্লাশে কথা না বলুক, ভাইভাতে নেকাব না খুলুক, তাতে সমস্যা নাই যদি তারা লেখাপড়ায় ভালো করে, প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে! প্রায়শই দেখা যায়, তারা লেখাপড়ায় ততটা ভালো নয়। যখন যে কাজের প্রসংগ তখন সে কাজে সর্বাধিক পারঙ্গম না হলে শুধু আদর্শের প্ল্যাকার্ড কাউকে কি পার করিয়ে দিতে পারবে? নেতৃত্বের বিষয়টা আল্লাহ তায়ালা শুধুমাত্র যোগ্যদের জন্যই নির্ধারণ করে রেখেছেন। তাই না?

সতর হিজাব: মাদ্রাসা পড়ুয়া সহকর্মীরা বলেন, হিজাব আর সতর এক নয়। সতর হিসাবে মুখ খোলা রাখার অবকাশ থাকলেও হিজাব হিসাবে মুখ ঢাকা ওয়াজিব। উম্মুল মুমিনীনদের পর্দাকে তারা সবার জন্যই সমমর্যাদায় প্রয়োগযোগ্য বলে দাবি করেন।

ব্যক্তিসত্তাকে সম্পূর্ণ আড়াল করে গত্যন্তর ছাড়া গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান বাধ্যতামূলক হলে, এক কথায় উম্মুল মুমিনীনদের মতো পর্দা করা ফরজ হলে অন্তত সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সায়েন্স-আর্টস পড়ার কী মানে হতে পারে? সন্তান পালন ও তাদের প্রাথমিক শিক্ষার জন্য বিএ/এমএ পাশ করার কী দরকার? তাই এক কমেন্টে বলেছিলাম, হিজাব শব্দটা পাশ্চাত্যের প্রেক্ষাপটে এক রকম, আবার প্রাচ্যের আলেমদের ব্যাখ্যায় অন্যরকম। পাশ্চাত্য-প্রেক্ষাপটে হিজাব মানে মুখ খোলা রেখে স্কার্ফ পরে পর্দা। আর প্রাচ্যের আলেমদের কাছে হিজাব মানে মুখ ঢাকাসহ আপাদমস্তক পর্দা।

যদি বলা হয়, নেকাব ওয়াজিব নয়, সতর্কতাসুলভ অতিরিক্ত আমল – তাহলে তো আপত্তি নাই। সমস্যা হলো, এটিকে বাধ্যতমূলক হিসাবে আরোপ করা, যা কোনো কোনো ছাত্রী ও নারী সংগঠন করে থাকে।

বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো: চট্টগ্রামের বাওয়া স্কুলে প্রফেসর আতহার স্যারের মেয়েকে নেকাব পরতে দিবে না হাসিনা যাকারিয়া নামক এক মহিলা প্রিন্সিপাল। চবির শিক্ষকরা তখন ব্যাপক আন্দোলন শুরু করলেন। চট্টগ্রাম শহরে মিছিল, মানববন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলন ইত্যাদি হলো। অবশেষে স্কুল কর্তৃপক্ষ উক্ত মেয়েকে নেকাব সহকারে বোরকা পরে ক্লাশ করার অনুমতি দিতে বাধ্য হয়। এক যুগ আগের এ ঘটনা বলার প্রসঙ্গটি হলো, এসব ডামাঢোলের মধ্যে এক তরুণ সাংবাদিক মেয়েটির সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করে। দ্রুত তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। বছর কয়েক পরে তারা দাম্পত্য জীবন শুরু করে!

একটি ইসলামী ছাত্রী সংগঠনের যে ক’জন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সভানেত্রী আমার বাসায় এসেছেন, তাঁদেরকে কোনোমতে নেকাব পরতে দেখেছি। আমাদের ক্যাম্পাসে বেশ ক’জন প্রাক্তন সংস্থা নেত্রী আছেন, যারা এখন কোনোমতে কেবল থুতনীটুকু ঢাকেন। তাঁদের পর্দা সম্পর্কিত ঈমানী চেতনায় এই ‘আপাত পরিবর্তনের’ হেতু কী? এ প্রশ্নের উত্তরটি অন্য জায়গায়…।

নেকাবের ফযিলত: নেকাব পরলে স্কিন ভালো থাকে। অল্প বয়সীরা সচেতন বা অবচেতনে এ বিষয়ে অধিকতর সজাগ থাকে। বিয়ের পরে সেনসিটিভিটির মাত্রা কমে আসলে তারা এ বিষয়ে ক্রমান্বয়ে গাফেল হয়ে পড়ে। সাজগোজের ধরন ও অনুভূতির সাথে মুখাবরণের ঐতিহাসিক যোগসূত্র লক্ষ্য করা যায়। যুগে যুগে ধর্ম, সংস্কৃতি ও সভ্যতা নির্বিশেষে আভিজাত্য ও সৌন্দর্যের প্রতীক হিসাবে নেকাবের ব্যবহার হয়ে আসছে। অন্যতম বিউটি টিপস হিসাবে নেকাব অতীব কার্যকর। অতএব, নেকাব থাকবে। স্বভাবতই ইসলাম এটিকে নিষিদ্ধ করেনি। নেকাব সহকারে পর্দা করা বোনেরা এসব কথায় আহতবোধ করতে পারেন। আমার মতো পয়তাল্লিশ-উত্তর ব্যক্তির জন্য এগুলো হচ্ছে অতীত ও বর্তমানের অভিজ্ঞতা মাত্র। একেবারেই নির্দোষ ও নির্মোহ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

সামাজিক অস্থিরতা পর্দার প্রসার: কেউ কেউ দাবি করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপকহারে বোরকা ও নেকাবের উপস্থিতি সংগঠন বিশেষের অবদান। এটি ভুল। পাশ্চাত্য ধারায় আধুনিকতার সর্বব্যাপী সয়লাব ও সমাজের ব্যাপক ডি-ইসলামাইজেশন, বিশেষ করে অশ্লীল বিনোদন সংস্কৃতির মহাবিস্ফোরণের ফলে সমাজের মধ্যে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সমাজতত্ত্ব ও প্রকৃতির নিয়মে সমাজের মধ্য থেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবেই এর একটা প্রতিক্রিয়া গড়ে উঠেছে। পর্দাসহ ইসলামিক বিষয়াদির লক্ষ্যণীয় জনপ্রিয়তা এর উদাহরণ। আদর্শিক দিক থেকে সমাজের মধ্যে বিরোধ যত তীব্র হচ্ছে, সমাজের রক্ষণশীল ও প্রগতিশীল এই দুই প্রান্তশিবিরে লোকসংখ্যাও ততটা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

৮। কর্মজীবী নারীদের ব্যাপক পর্দাপ্রীতি: যেসব মেয়েরা মিল-ফ্যাক্টরিতে কাজ করে তাদের মাঝে শিক্ষিত ইসলামী নারীদের কোনো কাজ নাই। অথচ এরা ব্যাপকভাবে বোরকা/হিজাব/নেকাব পরেন। এর কারণ কী? উত্তর একটাই – সামাজিক বিরোধ ও এর প্রতিক্রিয়ায় এক ধরনের আপস। যেমন, মেয়েরা দিন-রাতে কল-কারখানায় কাজ করবে না। সমস্যা হলো পর্দা লংঘন। এর প্রেক্ষিতে একটা নীরব সমঝোতা হলো বোরকা/হিজাব/নেকাব বা শালীনতা মেনে বের হওয়া। এটি কারো দাওয়াতী কাজের ফসল নয়। এটি এক ধরনের সামাজিক প্রতিক্রিয়া, সোজা কথায় (ধর্মীয়) সমাজপতিদের সাথে এক ধরনের অলিখিত সমঝোতা।

৯। নারীদের হির্মুখী প্রবণতা সম্পর্কে ইসলামী কর্মীদের করণীয়: শিক্ষা কিম্বা কর্মসংস্থান যে কারণেই হোক না কেন, নারী সমাজ যেভাবে জোয়ারের মতো ঘরের বাহিরে এসেছে বা আসছে, তাতে করে তারা পর্দা তথা ইসলামের আওতায় স্থিত হবে, নাকি এক পর্যায়ে এসব মূল্যবোধকে আরোপিত হিসাবে প্রত্যাখ্যান করবে – এটি নির্ভর করছে ইসলামপন্থীরা মুসলিম নারীদের এই বহির্মুখী প্রবণতাকে কতটা ইতিবাচকভাবে মানিয়ে বা গ্রহণ করে নিতে পারবে, তার উপর।

অতীত ফতোয়া ও ফিকাহর কিতাবাদিকে আক্ষরিকভাবে আঁকড়ে ধরে থাকলে চলবে না। এই কাজে সুন্নাহর আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মান্যবর ইউসুফ কারযাভী যা তাঁর লেখায় প্রায়ই বলে থাকেন। কেন জানি ক্ল্যাসিক্যাল ফিকাহবিদদের প্রবণতাকে আমার কাছে, কম হোক বেশ হোক, নারীবান্ধব মনে হয়নি! নেকাব সহকারে হিজাব প্রসঙ্গে ‘অধিকাংশ ফহীহদের’ কথা না হয় আমাদের মুসলিম নারীরা মানলেন, কিন্তু ‘ফেতনার আশংকায়’ মসজিদে না যাওয়ার ফতোয়াও কি তারা মানবেন? বিশেষত যখন একদিকে আসলেই ফেতনা অকল্পনীয় হারে বেড়েছে, অন্যদিকে মুসলিম নারীদের মসজিদে প্রবেশাধিকারের পক্ষে আল্লাহর রাসূলের (সা) অতি পরিস্কার নির্দেশ বিদ্যমান?

সাড়ে তিন হাত দেহের উপর আগে ইসলাম কায়েমের আবেগী ও ভুল তত্ত্বটি কীভাবে যেন ইসলামী আন্দোলনপন্থীদের মানসকেও আচ্ছন্ন বা প্রভাবিত করে রেখেছে। অন্তত নারীদের ব্যাপারে এটি স্পষ্টতই লক্ষ্যণীয়!

এসবি ব্লগে হিজাবের উপর আলোচনা বেশ জমে উঠেছে দেখে ভালোই লাগছে! সবাই ভালো থাকুন।

এটি আমার পূর্ববর্তী পোস্টের ফলোআপ

মূল পোস্টের ব্যাকআপ লিংক

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক

নিজেকে একজন জীবনবাদী সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে পড়াই। চাটগাইয়া। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *