সময়ের আপেক্ষিকতা: ইসলাম বনাম বিজ্ঞান

দৃশ্যত খামখেয়ালিপূর্ণভাবে আমি এইটা ওইটা বিভিন্ন কিছু করে থাকি। আমার লেখা ও পোস্টগুলোতে গড়পড়তা এক-দেড়শ লাইক পড়ে। সেই হিসাবে আমি নিতান্তই গোবেচারা একজন ব্লগ-লেখক। এত কম রেসপন্স দেখে মাঝে মাঝে হতাশ হই।

এর বিপরীতে মাঝে মাঝে এমন হয় যে, তেমন সমঝদার-ওজনদার কেউ বলে, আপনার লেখাটা পড়েছি। অথবা, আপনার ভিডিও বক্তব্যটা মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। তখন খুব ভালো লাগে। একটু আগে সময়ের তত্ত্ববিদ্যা নিয়ে আমার দেয়া ভিডিও বক্তব্যটি সম্পর্কে এরকম একজন আমাকে জানালো, তিনি বক্তব্যটি ভালো করে শুনেছেন। বিষয়টি নিয়ে এরপর তিনি আমার সাথে কিছু আলোচনাও করলেন। বিশেষ করে তিনি আমার Omni clock hypothesis-কে সমর্থন ও সাপ্লিমেন্ট করলেন।

বেশ ভালো লাগলো।

সময়ের আপেক্ষিকতা নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে যারা আমাকে বিভিন্ন মন্তব্য দিয়েছেন তাদের কাছে আমার প্রশ্ন,

ইসলামের বর্ণনা গুলার দিক থেকে দেখা যায় এই পৃথিবীর সামান্যতম সময় ঊর্ধ্ব জগতের জন্য অনেক দীর্ঘ সময়। অথচ আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সূত্র অনুসারে ঊর্ধ্ব জগতের সময় ধীরে চলার কথা। interstellar সিনেমাতে যেমন করে দেখা যায়, বহির্জগতের কয়েক ঘন্টা পৃথিবীর জন্য কয়েক দশকও হতে পারে।

এই phenomenon-এর ব্যাখ্যা কী হতে পারে?

ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম, উযাইর আলাহিস সালাম প্রমুখ আল্লাহ তায়ালার কাছে জানতে চেয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন– যদি তোমরা না জানো, তাহলে যারা জানে তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে নাও। সে হিসাবে আমি আপনাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছি।

বিশেষ করে যারা বিজ্ঞানের সর্বশেষ আবিষ্কারকে সব সময় কোরআনের সাথে মিলাতে চান তাদের কাছ থেকে আমার জানতে ইচ্ছে করে, কোরআন হাদিসে বর্ণিত সময়ের আপেক্ষিকতা আর আপেক্ষিকতার সূত্র অনুসারে সময়ের আপেক্ষিকতা – এই দুইটা বিপরীতমুখী ও সাংঘর্ষিক কেন?

লেখাটির ফেসবুক লিংক

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক

নিজেকে একজন জীবনবাদী সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে পড়াই। চাটগাইয়া। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *