নারীদের কিছু অপেশাদারী আচরণ

মানুষের মধ্যকার প্রত্যেকটা কমিউনিটির থাকে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য। এর মধ্যে থাকে কিছু ভালো বৈশিষ্ট্য। একই সাথে থাকে কিছু খারাপ বৈশিষ্ট্য। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কমিউনিটির একজন দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন সদস্যের উচিত হলো ওই কমিউনিটির যে ভালো দিকগুলো আছে সেগুলোকে সর্বোচ্চ মানে ও পরিমাণে ধারণ করার চেষ্টা করা। একই সাথে তিনি চেষ্টা করবেন যাতে করে তিনি তার কমিউনিটির খারাপ দিকগুলো থেকে যথাসম্ভব আত্মরক্ষা করে চলতে পারেন।

মানব সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বৈশ্বিক সম্প্রদায় হিসেবে নারীদেরও রয়েছে ভালো-মন্দ নানা দিক। তন্মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ্য কয়েকটা পেশাগত নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আজ একটুখানি বলতে চাচ্ছি।

(১) দেখা যায়, মেয়েরা সাধারণত সমালোচনা সহ্য করতে পারে না। তারা সব সময় প্রশংসিত হতে ভালোবাসে। ন্যায়সঙ্গত কোনো কারণে কেউ তাদের কোনো সমালোচনা করলে পূর্বাপর যুক্তি দিয়ে বিবেচনা না করে তারা সাধারণত সেটাকে ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে বিবেচনা করে।

(২) যাদেরকে তারা পছন্দ করে না তাদেরকে দেখে নেওয়ার সুযোগ পেলে তারা সেটা থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখতে পারে না। নিতান্ত ব্যতিক্রম বাদে।

(৩) কথাকে সংক্ষেপে ও সরাসরি না বলে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে বলা, সিদ্ধান্তে অটল না থাকা, আবেগনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি আচরণ নারী-পুরুষ যে কারো ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের পরিপন্থী। নারীদের মধ্যে যা সাধারণত বেশি দেখা যায়।

পেশাগত জীবন কিংবা সামাজিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এ ধরনের আচরণ কোনোক্রমেই কাম্য নয়। এই ধরনের নারীসুলভ আচরণ এমনকি নারীরাও পছন্দ করে না।

Female persons usually do not tolerate criticism. They always want to be appreciated. If anyone criticizes them justifiably, in most of the cases they take it as an insult to them. They usually fail to resist the temptation to ‘size’ someone whom they dislike. These are quite non-professional behaviour. Saying a lot with indirect or obscure meaning, not to stand on decision and to take emotional decisions are examples of unprofessional female-like behaviour. Such behaviour is not expecting in social interactions and professional arena. Even no female will allow such type of behaviour from any subordinate female employee.

এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানার জন্য এ বিষয়ে আমার এই লেখাটি পড়তে পারেন: মানুষের গোষ্ঠীগত বৈশিষ্ট্যের দ্বন্দ্ব

লেখাটির ফেসবুক লিংক

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক

নিজেকে একজন জীবনবাদী সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলোসফি পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। থাকি চবি ক্যাম্পাসে। নিশিদিন এক অনাবিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি। তাই, স্বপ্নের ফেরি করে বেড়াই। বর্তমানে বেঁচে থাকা এক ভবিষ্যতের নাগরিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *